প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও সেরা পারফর্মারদের জন্য মোট ৩০ লাখ টাকার প্রাইজমানি থাকলেও শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এর গুরুত্ব আরো বিস্তৃত। মানসম্মত ও আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামোতে নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করার সুযোগই দলগুলোর মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। অনেকদিন ধরেই ধারণা করা হচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলার প্রতি আগ্রহ হ্রাস পাচ্ছে, তবে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে অভূতপূর্ব উন্মাদনা ও প্রস্তুতি সে ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণ করেছে। উপযুক্ত পরিবেশ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে নতুন প্রজন্মকে ক্রীড়াচর্চায় যুক্ত করা যে সম্ভব—এবিজি স্পোর্টস সিটির আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও যৌথ প্রয়াস সেটি স্পষ্ট করে দিয়েছে।
আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনায় আয়োজিত এ টুর্নামেন্ট সম্পর্কে এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান জানান, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চাকে সমৃদ্ধ করা ও ভবিষ্যতের জাতীয় লেভেলের ক্রীড়াবিদ খুঁজে আনাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। তিনি জানান, আয়োজকরা আগামীতে টুর্নামেন্টের পরিধি আরো বড় করার চিন্তাভাবনা করছেন, যেখানে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ফুটসাল টুর্নামেন্ট অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। জুলাকান ইনডোর অ্যারেনায় জমকালো ‘ক্যাপ্টেনস মিট’ ও জার্সি উন্মোচনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষ হয়েছে এবং আজ বল ও ব্যাটের দ্বৈরথে মাঠে গড়াচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শ্রেষ্ঠত্ব ও সৌহার্দ্যের লড়াই।