এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সামরিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে জার্মানিসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ এতে সাড়া দিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও জাপানও এই উদ্যোগে যোগ দেয়নি।
সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ায় ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট দুই ধরনের তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। একই সঙ্গে কাতার ও ওমান উপকূলে বিস্ফোরণ এবং তেলবাহী জাহাজে হামলার খবর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকের বড় তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনাও বাজারে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকবে এবং এর প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতে পড়তে পারে।