১৯ অক্টোবর ২০২৬ সালের সন্ধ্যায় বনানীর একটি ভবন থেকে ডিবির একটি বিশেষ টিম তাকে আটক করে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এক অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, দিলীপ কুমার আগারওয়ালার বিরুদ্ধে সোনা ও হীরা চোরাচালানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, অবৈধ পথে সোনা ও হীরা আমদানির নামে এবং রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দেশের বাইরে প্রায় ৬৭৮ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।
এই সুনির্দিষ্ট অর্থ পাচারের অভিযোগে সিআইডির পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সিআইডির চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই ডিবি পুলিশ বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে এবং পরবর্তীতে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সময়ে গ্রেপ্তার দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার খবর পাওয়া গেছে। সিআইডির নিকট হস্তান্তর এবং আদালতের মাধ্যমে রিমান্ড আবেদনের প্রক্রিয়া চলছে বলে গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।