মেজর জেনারেল মু হাসান-উজ-জামান, এনডিইউ, এএফডব্লউসি, পিএসসি, এম ফিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইনচীফ প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি, মেডেল ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্ট প্রমোটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম, এসপিপি (অবসর প্রাপ্ত) ও নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পরিচালক কর্নেল মহাসিনুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় এবং সাংবাদিকবৃন্দ।
শুরুতে " স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি" প্রদান করা হয়। তারপর এ বছরমাধ্যমিকে কৃতি স্কোয়াশ খেলোয়াড় সন্মাননা এবং ক্ষুদে স্কোয়াশখেলোয়াড়দের ক্রীড়া সামগ্রী দেয়া হয়।
পুরস্কার বিতরনীর মূল পর্বে পুরস্কার ও প্রাইজ মানি দেয়া হয়। প্রথমে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় তরুন প্রতিভা পারভেজকরিম। তারপর যথাক্রমে দ্বিতীয় রানার্সআপ মিশরের মোহাম্মদ গহর (বিশ্ব র্যাঙ্কিং ৯৫), প্রথম রানার্সআপ ইরানের সেফেরএতেমাদপুর (বিশ্ব র্যাঙ্কিং ৫৬৬), রানার্সআপ রভিন্দ্র লক্ষীশ্রী এবং চ্যাম্পিয়ন জিয়াদ ইব্রাহিমকে পুরস্কৃত করা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, 'ক্লাসরুম স্কোয়াশ', খেলাধুলা ও নেতৃত্বের বিকাশ, 'স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি' ইত্যাদিরমতো বৈপ্লবিক চিন্তা-চেতনা আর ধারাবাহিক কর্মসূচির সুফলআজ দৃশ্যমান। এই আন্তর্জাতিক ইভেন্ট শুধু দেশেরখেলোয়াড়দের র্যাঙ্কিং ও অভিজ্ঞতা বাড়ায়নি, বরং বিশ্ব অঙ্গনেবাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় 'স্কোয়াশ ডেস্টিনেশন' হিসেবেসুপ্রতিষ্ঠিত করেছে।
গত পাঁচ বছরে মৃতপ্রায় স্কোয়াশ অনেক উন্নতি করেছে এবং ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে পদক লাভ করা শুরু করেছে। স্কোয়াশ ২০৩২ সালের অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করতে চায়। তাই আগামীতে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সবার যৌথ প্রয়াসে স্কোয়াশকে আরও সামনে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসরের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।